কেন লাল আটার রুটি খাবেন

লাল আটার রুটি (Roti) – Wheat (disambiguation) মানে গম

আপনি জানেন কি, শরীরের ওজন কমানো, হজম শক্তি বৃদ্ধি, ক্যান্সার প্রতিরোধ, ব্রনের সমস্যা দূরীকরণ, এমনকি হাইপারটেনশন দূর করা সহ নানান কাজ করে লাল আটা রুটি, অথচ আমরা সাদা আটার সাদা রুটিতে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি দিন দিন যে আমরা জেনে না জেনে গ্রহন করে যাচ্ছি নিয়মিত কত টুকু আমাদের দেহের জন্য ভালো হচ্ছে ভেবে দেখেছি কি ? আপনি জানেন কি গবেষণায় উঠে এসেছে যে রিফাইন করা ময়দা বিভিন্ন ধাপে আমাদের খাওয়ার উপযুক্ত হয় বলে এর স্বাস্থ্যকর গুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। অপর পক্ষে লাল আটার রুটিতে ভিটামিন এবং মিনারেলের মাত্রা সঠিক পরিমাণে থাকে বলে তা আমাদের জন্য বেশ স্বাস্থ্যকর।

 

লাল আটা কেন খাবেন আর কি কি উপাদান আছে আর উপকারিতা কি কিঃ

  • ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট – দেহে রোগ প্রতিরোধ করে।
  • লিগনান – যা শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
  • থায়ামিন – স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে (হাত ও পায়ের নার্ভ সচল রাখে)।
  • শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) – আটা শর্করাজাতীয় খাবার। শর্করা দেহে শক্তি জোগায়।
  • ক্যালোরি – লাল রুটিতে ক্যালোরি কম থাকে, অতিরিক্ত ক্যালোরি খাবারে আমরা মোটা হই।
  • খাদ্য আশঁ – রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে, এর ফলে আমাদের হাইপারটেনশন কমে।
  • ভিটামিন ই – শরীরের স্নায়ু ও মাংসপেশির কাজ সঠিক করার জন্য ভিটামিন ই খুবই উপকারী।
  • ফাইবার – যা আমাদের পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে, মোটা হয়ে যাওয়ার আশংকা কমে যায়।
  • ম্যাগনেশিয়াম – যা আমাদের দেহের প্রায় ৩০০ রকমের এনজাইমের কাজ পরিচালনা করে।
  • ম্যাঙ্গানিজ – ম্যাঙ্গানিজ যা ফ্যাটি এসিড গুলোকে শরীরে পূর্ণমাত্রায় হজম হতে সাহায্য করে।
  • প্রোটিন – রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে প্রতিরোধ অ্যান্টিবডি তৈরী করা প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
  • টক্সিন – লাল আটার আঁশ শরীরের টক্সিন-জাতীয় উপাদান বের করে দেয় ফলে ব্রণের সমস্যা কমে যায়।
  • অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ – ডায়াবেটিস রোগের জন্য উপকারী। কারণ এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • সেলেনিয়াম – শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা থাইরয়েড গ্রন্থির সুরক্ষা, এজমা ও চর্মরোগ প্রতিরোধ করে।
  • লাল আটা- লাল আটার রুটি ফলিক এসিড, ফসফরাস, জিংক, কপার, ভিটামিন বি১, বি২ এবং বি৩-এর ভালো উৎস।

 

কারা খাবেন না লাল আটাঃ

  • যাদের গলব্লাডারে পাথর রয়েছে
  • যারা কিডনি রোগে আক্রান্ত তাদের লাল আটা খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
  • যাদের লাল আটায় অ্যালার্জি আছে মানে খেলে অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে।

 

কখন খাবেন আর কিভাবে খাবেন লাল আটা রুটিঃ

  • রাতে রুটি খেতে পারেন নিয়মিত সবজি বা ভুটের ডালের সাথে।
  • লাল আটার রুটি আর সবজি দিয়ে রোল বানিয়ে খেতে পারেন।
  • সকালের নাস্তায় রুটি ও সবজি সাথে সিদ্ধ ডিম খেতে পারেন।
  • অফিসে নাস্তা হিসেবে রুটি আর সবজি নিয়ে যেতে পারেন।
  • ভ্রমণে স্ন্যাক্স হিসেবে রুটি + সবজি অথবা রুটির রোল নিতে পারেন।

 

ছবি ও তথ্যঃ ইন্টারনেট, গুগোল, জার্নাল পেপার, নিউজ, ব্লগ ও উইকিপিডিয়া।

# মেডিসিন থেকে দূরে থাকুন – প্রাকৃতিক নিয়মে সুস্থ্য থাকুন #


আপনার যে কোন মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিতে পারেন। পরবর্তীতে কি বিষয় নিয়ে লেখা চান সেটিও জানাতে পারেন।

Asive Chowdhury | Facebook | Twitter | LinkedIn | Google Site | Google Local Guides | Google Plus | YouTube

Google Site | Wikipedia | Instagram | Asive’s Blog

Email: ac.papon@gmail.com, Web: www.asive.me