গ্রাফিক্স ডিজাইন – “আর্ট অব কমিউনিকেশন”

গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রফেশনাল সফটওয়্যার

  • Adobe Photoshop
  • Adobe Illustrator

গ্রাফিক ডিজাইন এর কথা শুনলেই আমাদের কাছে মনে হয় লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন বা ক্যাটালগ ডিজাইন। এর বাহিরে আর কিছু নয়। আসলে বাস্তবে এই ধারনাটা ভুল, এর বাহিরেও আরও অনেক বড় জগৎ আছে গ্রাফিক্স ডিজাইনের। ডিজাইনের শেষ নেই। প্রিন্টিং ডিজাইন ছাড়াও ডিজিটাল ডিজাইন ও ভিডিও এনিমেশন এর কাজেও এর নানা চাহিদা। এমন কি স্বেচ্ছাসেবী নানান কাজে বা কোন প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং এর কাজেও এর খুবই দরকার হয়।

গ্রাফিক ডিজাইন হলো একটি মননশীল প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ায় একজন গ্রাফিক ডিজাইনার বিভিন্ন ভিজুয়্যাল এলিমেন্ট (লাইন, কালার, টেক্সচার ইত্যাদি) দ্বারা তার চিন্তা ও মননশীলতার বহিঃ প্রকাশ ঘটায় অথবা সোসাইটিকে অর্থবহ ম্যাসেজ দিয়ে থাকে অথবা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান তুলে ধরে।

এক কথায় বলা হয় “আর্ট অব কমিউনিকেশন” যা কেও আপনাকে ধরে শিখিয়ে দিতে পারে না বা পারবে না, এর জন্য আপনাকে কিছু গাইডলাইন ও টুলের ব্যবহার এবং নিয়মিত চর্চা করতে হবে। প্রতিদিন নানান কাজের মাঝেও ভাবতে হবে ডিজাইন নিয়ে এবং সময় দিতে হবে, শেষ কথা লেগে থাকতে হবে।

গ্রাফিক্স ডিজানে দু ধরনের টাইপ আছেঃ

  • Raster – JPEG, PNG, .GIF

  • Vector – .AI, EPS, SVG

রাস্টার টাইপ (Adobe Photoshop) আমরা যে কোন ডিজিটাল মিডিয়াতে ব্যবহার করতে পারি কিন্তু প্রিন্টিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই ভেক্টর টাইপে (Adobe Illustrator) কাজ করতে হয়।

Resolution & Pixel

Source: Graphic School

গ্রাফিক্স ডিজাইনে বেসিক কালার ২ ধরনের, RGB ধরনের কালার হচ্ছে মিডিয়া বা ডিজিটালে ইউজ করার জন্য, অন্যটি অর্থাৎ CMYK হচ্ছে প্রিন্ট এর ক্ষেত্রে। নিচে বিস্তারিত দেয়া হয়েছে বুঝার সুবিধার্থে।

  • RGB – Red, Green, Blue
  • CMYK – Cyan, Magenta Yellow, and Black
Growing Your Business With A Right COLOR

Adobe illustrator এ ডিজাইন করতে গেলে যে ১০ টি প্রিন্সিফল খেয়াল রাখা জরুরী, এই সব গুলো প্রিন্সিফল গুলো মাথায় রাখতে হবে। – [সূত্রঃ ১০ মিনিট স্কুল]

  • POINT, LINE & SHAPE
  • COLOR
  • TYPOGRAPHY
  • SPACE
  • BALANCE, RHYTHM AND CONTRAST
  • SCALE
  • GRID & ALIGNMENTS
  • FRAMING
  • TEXTURE & PATTERNS
  • VISUAL CONCEPT

ডিজাইনে কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্সঃ

  • ফন্ট স্টাইল – ডিজাইনে ২ টি বেশির ফন্ট স্টাইল ব্যবহার না করাই ভালো
  • স্কেল – যে কোন ডিজাইনে ১-২ টা ফন্ট স্কেল করে বড় করা যায়
  • এলাইনমেন্ট – ডিজাইনে যে কোন লেখা এলাইনমেন্ট খুবই জরুরী
  • কালার – ব্যাকরাউন্ড [যে কালারের মধ্যে ফন্টের কালার ফুটে উঠে]
  • ফন্ট ইমোশন – ফন্ট সিলেকশনের ক্ষেত্রে এটা গুরুত্বপুর্ন
  • ব্ল্যাংক স্পেস – লেখার ক্ষেত্রে মাঝে স্পেস রাখা [লেখা ফুটে তোলার জন্য]
  • সিম্পল – কালার সিম্পল রাখা জরুরী
  • ইমিটিটেইট – অনুসরণ করুন বড় বড় কোম্পানির ডিজাইন [প্র্যাকটিস]
  • কি কি বাদ দিবেন – কমন জিনিস ! চেষ্টা করুন একটু ভিন্নতা নিয়ে আসতে
  • ছবি গ্রিড করা – ছবি গুলো সাজিয়ে দেওয়া জরুরী
  • কালার কনস্ট্রাস্ট – স্মথ কালার খুব জরুরী, কালার হালকা হবে
  • প্র্যাকটিস, প্র্যাকটিস এন্ড প্র্যাকটিস – ভুল হবেই, তবে প্র্যাকটিস চালিয়ে যেতে হবে

Adobe Illustrator টুলস পরিচিতি

Adobe illustrator শর্টকাট দেখা যাবে এখানে

কেন শিখবেন গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ

ক্যারিয়ার – জব, উদ্যোক্তা, ফ্রীল্যান্সিং

আপনি যদি কোথাও জব করেন বা করতে চান এর গুরুত্ব আছে, বিশেষ করে আপনি যে বিভাগেই থাকেন না কেন, মাঝে মধ্যে আপনাকে প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে হয়, সে ক্ষেত্রেও বেসিক গ্রাফিক্স নলেজ জরুরী, অর্থাৎ অন্যের চেয়ে নিজেকে একটু আলাদা ভাবে উপস্থাপন করা।

উদ্যোক্তাদের সব কিছু নিয়ে পড়াশুনা করতে হয়, এক্সপার্ট হতে হবে না, তবে সব গুলো বিভাগ সম্পর্কে একটা ভালো নলেজ লাগবে। যাতে করে আপনি পুরো উদ্যোগটি মেনেজ করতে পারেন। সঠিক দিক নির্দেশনা ও সঠিক গাইডলাইন এবং লিডারশীপ স্কিল সহ টেকনোলজি বিষয়ে বেসিক নলেজ উদ্যোগ জীবনে খুব কাজে আসে, তাই জরুরী।

আর ফ্রীল্যান্সিং এ তো এর চাহিদা বিশ্বজুড়ে, অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ সব সময় চাহিদা আছে মার্কেটপ্লেস গুলোতে, যদি ভালো স্কিল গড়ে কাজে নামা যায়, পেছনে ফিরে তাকাতে হয় না। ফাইবার, গুরু, ফ্রীল্যান্সার ডট কম, আপওয়ার্ক সহ আরও অন্যান্য মার্কেট প্লেস গুলোতে এর চাহিদা আছে, তবে বিশ্বমানের এই মার্কেট প্লেস গুলোতে স্কিল এর পাশাপাশি কমিউনিকেশন স্কিল ও জরুরী বিশেষ করে ইংলিশ জানা ও বলা।

মার্কেট প্লেস গুলোতে কি কি কাজ এর চাহিদা বেশিঃ

  • কর্পোরেট লোগো
  • বিজনেস কার্ড
  • কোম্পানি ক্যাটালগ
  • কোম্পানি ইনভেলাপ
  • কোম্পানি প্রোফাইল
  • লেটার প্যাড / কোম্পানি প্যাড
  • সাইন বোর্ড ডিজাইন
  • প্যাকেট ডিজাইন
  • টিশার্ট ডিজাইন
  • মানি রিসিট / চালান ডিজাইন
  • প্রোডাক্ট ডিজাইন
  • সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ডিজাইন
  • প্রেজেন্টেশন ডিজাইন
  • ইউ / ইউএক্স ডিজাইন
  • ইমেইল ফরমেট ডিজাইন
  • সার্টিফিকেট ডিজাইন

কি ধরনের কনফিগারেশন হলে গ্রাফিক্স ডিজাইন রিলেটেড কাজ সহজ হয়, আমি আমার নিজস্ব মতামত থেকেই দিলাম, এর উপরে যে যত খরচ করবে আরও কাস্টমাইজ করে আরও ভালো কোনফিগারেশন নিতে পারে।

  • Monitor 21″ / Big
  • Processor Cor i3 / Core i5 / Core i7
  • RAM : 8 / 16 GB
  • Processor Speed : 3.20 GHz or More
  • Motherboard : Gigabyte
  • SSD : 120 GB

এখানে আমার নিজের কিছু লোকাল ও গ্লোবাল কাজের স্যাম্পল ও ডিজাইন দেওয়া হয়েছে যা আমি আমার প্রফেশনাল কাজ হিসাবে ক্লাইন্টকে সাপোর্ট দিয়েছি। এছাড়াও ২০১৫ সাল থেকে চলমান আমাদের স্টার্টাপ ওপেন কমিউনিকেশন এর ওয়েব সাইটেও প্রফেশনাল কাজের ডেমো দেওয়া আছে, শিখুন এবং শিখান ! আমাদের ওপেন কমিউনিকেশন এর একটি উদ্যোগ ওপেন এডু তে আছে অনলাইনে প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন হাতে কলমে শেখার সুযোগ, সময় করে দেখতে পারেন। শেখার শেষ নেই, আমি নিজেও এখনও শিখছি, আবার শেখাচ্ছি ! কোন জিজ্ঞাসা থাকলে কল করা যাবেঃ +৮৮ ০১৭১৭ ৯১১১ ৪৭

I Believe “Don’t work for money, Do your best, Money will come”


লেখক ও গবেষক – প্রকৌশলী আছিব চৌধুরী

“Love yourself & you will get a way how to live” – Asive Chowdhury

# মেডিসিন থেকে দূরে থাকুন, নিয়মিত শরীর চর্চা করুন এবং সুস্থ্য থাকুন #

আপনার যে কোন মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিতে পারেন। পরবর্তীতে কি বিষয় নিয়ে লেখা চান সেটিও জানাতে পারেন ইমেইলের মাধ্যমে (asive.me@gmail.com)

My Research Publication in International Journal | About Asive Chowdhury Learn with Asive | Facebook | Twitter | LinkedIn | Instagram | Blog Spot YouTube | BudgerigarsWiki

I am a Google Local Guide | Wikipedia | Asive’s Blog

I am in Flicker | I am in Google Maps | I am in wikipedia Commons |I am a Designer | I am in Google Site

Email: asive.me@gmail.com, Web: asive.me