আয়াতুল কুরসীর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

Benefits of Ayatul kursi

Benefits of Ayatul kursi – বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

মুসলমান হিসাবে সঠিক জানা ও আমল করা যেমন দায়িত্ব ও কর্তব্য তেমনি অন্যকে জানানোও আমাদের দায়িত্ব। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন। আজ আমরা আলোচনা করবো আয়াতুল কুরসীর অর্থ ও ফজিলত নিয়ে। যে কোন সূরা অর্থ ও ফজিলত সহ জানতে পাড়লে বেশি আমল করার সুযোগ হয়। আল্লাহ্‌ আমাদের বেশি বেশি আমল করার সুযোগ দান করুন, আমিন। পবিত্র কোরআনের ১১৪টি সূরার ৬৬৬৬টি আয়াতের সবই ফজিলতপূর্ণ। প্রত্যেকটি আয়াতের রয়েছে আলাদা আলাদা তাৎপর্য ও রহস্য। তার পরও সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত বলা হয়

আবু উমামা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূল বলেছেন:

যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোনো কিছু বাধা হবে না

আয়াতুল কুরসী বাংলা উচ্চারণঃ

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্কাইয়্যুম। লা তা’খুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিসসামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান যাল্লাযী ইয়াস ফায়ু ইনদাহু ইল্লা বি ইজনিহি, ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি ইল্লা বিমা শা’আ,ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিয়্যূল আজীম।

আয়াতুল কুরসী বাংলা অর্থঃ

আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তার। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তার কাছে তার অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তার জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তার কুরসি (সিংহাসন) সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তার পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, সূরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, যে ঘরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে। [মুসতাদরাকে হাকিম]

আরও জানুন এবং অন্যদের জানার সুযোগ করে দিনঃ

আয়াতুল কুরসীর ফজিলত

  • প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার মৃত্যুর সময় সহজভাবে জান কবজ করা হবে। 
  • হাদিসে আছে, যারা পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তাদের জন্যে জান্নাতে যেতে মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাধা থাকবে না। অর্থাৎ মৃত্যুর সাথে সাথেই সেই ব্যক্তি আল্লাহর জান্নাতের শান্তি উপভোগ করতে থাকবে।
  • হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, আল্লাহ তার মাথার কাছে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন এবং সে ফেরেশতা সারা রাত তাকে পাহারা দিবে এবং দুষ্ট জীন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবে।
  • রসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আয়াতুল কুরসি পাঠ করে তার ধন-সম্পতি ফুঁকে দেয় তাহলে তার ওই সম্পদ কোনো চোরে নিতে পারবে না।
  • যারা আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে আল্লাহ তাদের জান্নাতের আটটি দরজার সবগুলো দিয়ে প্রবেশ করার সুযোগ দিবেন।

আয়াতুল কুরসির এমন ফজিলতের কথা ভেবে অনেকেই ঘরে আয়াতুল কুরসির লিখিত কাগজ বাঁধাই করে ঝুলিয়ে রাখেন। অনেকে এটাকে খুব গুরুত্বও দেন। কিন্তু এভাবে ঘরে আয়াতুল কুরসি লিখিত কাগজ বাঁধাই করে রাখার আলাদা কোনো উপকারিতা, সুফল কিংবা ফজিলত নেই। 

ছবি ও তথ্যঃ গুগোল, জার্নাল, মিডিয়াম, ইসলামি ব্লগ, নিউজ, বাংলা উইকিপিডিয়া


লেখক ও গবেষক – প্রকৌশলী আছিব চৌধুরী

“Love yourself & you will get a way how to live” – Asive Chowdhury

# মেডিসিন থেকে দূরে থাকুন, নিয়মিত শরীর চর্চা করুন এবং সুস্থ্য থাকুন #

আপনার যে কোন মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিতে পারেন। পরবর্তীতে কি বিষয় নিয়ে লেখা চান সেটিও জানাতে পারেন ইমেইলের মাধ্যমে (asive.me@gmail.com)

My Research Publication in International Journal | About Asive Chowdhury Learn with Asive | Facebook | Twitter | LinkedIn | Instagram | Blog Spot YouTube | BudgerigarsWiki

I am a Google Local Guide | Wikipedia | Asive’s Blog

I am in Flicker | I am in Google Maps | I am in wikipedia Commons |I am a Designer | I am in Google Site

Email: asive.me@gmail.com, Web: asive.me