গাঁজরের জানা অজানা গুনাগুন

গাজরের ইংরেজি নাম ‘ক্যারট’। গাঁজর অনেক গুলো জনপ্রিয় খাদ্য তালিকায় একটি। আমরা জানি গাঁজরে অনেক গুনাগুন রয়েছে তারপরও আমি আরও একটু সহজ করে শেয়ার করার চেষ্টা করেছি কেন আমরা গাঁজর খাব আর কি কি উপকারিতা পাওয়া যাবে গাঁজর থেকে, কখন খাব বা কিভাবে খাব। আমরা যত রকমের সবজি খাই, তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় সবজি গাজর। এর ১০০টি প্রজাতি রয়েছে। গাজর সাধারণত পাঁচটি বর্ণের হয়ে থাকে—সাদা, কমলা, বেগুনি, হলুদ ও লাল। গাজর বিটা ক্যারোটিনের প্রধান উৎস।


গাঁজর খেলে কি কি উপকার পাওয়া যায়ঃ 

  • গাঁজর আমাদের দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখে ।
  • আমাদের চোখে ছানি পড়ার ঝুঁকি কমায়।
  • আমাদের ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
  • নিয়মিত গাঁজরে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।
  • গাঁজর আপনার শরীরের চর্বি কাটাতে সাহায্য করে।
  • শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়।
  • গাঁজরের এন্টি অক্সিজেন হার্টের সুস্থ্যতা বৃদ্ধি করে।
  • গাঁজরে উপস্থিত ডায়াটরি ফাইবার রক্ত স্বাভাবিক সঞ্চালনে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
  • গাঁজরের রস শরীরের লিভারকে বিপদজনক টক্সিন থেকে রক্ষা করে।
  • গাঁজরের রস আমাদের ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণ করে। এতে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল আমাদের ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
  • নিয়মিত গাঁজর সেবনে আমাদের হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধ বয়সে হাড় ক্ষয় হওয়া বা দুর্বলতার ঝুঁকি অনেকটাই কমায়।
  • গাঁজরে ক্যালরি ও সুগারের পরিমান খুবই কম তাই ওজন কমাতে কাজ করে। 
  • শরীরের টক্সিন উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে এবং ক্যান্সারের আক্রমনের ঝুঁকি কমায়।
  • গবেষণায় বলা হচ্ছে গাজরের প্রচুর পরিমানে এন্টি অক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যা শরীরের নানান ক্যান্সার যেমন ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার এবং ফুসফুসের ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমে যায়, যা শরীরের ফ্রি রেডিকেল দূর করে দেয় যার ফলে শরীরের উপকারি কোষ নস্ট হয় না। কারন এই ফ্রি রেডিকেলস মানে হচ্ছে শরীরের উচ্চিতাংশ যার উপস্থিতি আমাদের শরীরের উপকারী কোষ নষ্ট করে।

কি কি উপাদান আছে গাঁজরেঃ

ভিটামিন এ, বি, সি, কে বিটা বিটা ক্যারোটিন, পটাশিয়াম, এন্টি অক্সিডেন্ট, গামা ক্যারোটিন এবং ফাইবার।

কখন খাবেন, কিভাবে খাবেনঃ

  • সকালে ও রাতে খাওয়ার পর অন্তত ২/৩ ঘন্টা পর গাঁজর খাবেন।
  • দুপুরে খাবারের সাথে সালাদ হিসাবে রাখতে পারেন।
  • এছাড়াও গাঁজর জুস করেও খেতে পারেন।
  • যারা ঔষধ গ্রহণ করছেন তাঁরা ঔষধ অন্তত ২/৩ ঘন্টা পর গাঁজর খাবেন।

ছবি ও তথ্যঃ গুগোল, জার্নাল পেপার, নিউজ, ব্লগ ও উইকিপিডিয়া।

# মেডিসিন থেকে দূরে থাকুন – নিয়মিত শরীর চর্চা করুন এবং সুস্থ্য থাকুন #

আপনার যে কোন মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিতে পারেন। পরবর্তীতে কি বিষয় নিয়ে লেখা চান সেটিও জানাতে পারেন ইমেইলের মাধ্যমে ।


Asive Chowdhury | Facebook | Twitter | LinkedIn | Google Site | Google Local Guides | Google Plus | YouTube

Google Site | Wikipedia | Instagram | Asive’s Blog

Email: ac.papon@gmail.com, Web: www.asive.me