একজন নুসরাতের জন্মদিন

প্রথমেই একজন মা, একজন ব্যাংকার এবং একজন ল’য়ার, আমি আমার ভাবী প্রিয় নুসরাত জাহানের কথা বলছি ! আমার বড় ভাইয়ের জীবন সঙ্গিনী, ক’দিন ধরেই লিখবো লিখবো করে লেখা হচ্ছিল না ! আজ ওর জন্মদিন, আর এই বিশেষ দিনে দু কলম লিখতে বসলাম। শুরুতেই জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ।

আমি আগে মজা করে ডাকতাম নুহান এর আম্মু আর এখন ডাকি নতুন আম্মু ! সম্পর্কে আমার ভাবী হলেও আমাদের মধ্যে সেই শুরু থেকেই ভাই বোনের মতই সম্পর্ক এবং এখনও সেটি বিদ্যমান ! নানা সময়ে নানা জিনিস নিয়ে মতের মিল / অমিল হলেও দিন শেষে আমরা আবার এক জায়গায়ই। করোনা কালীন সময়ে আমরা বেশ কিছুদিন একসাথে ছিলামও, মেচুরিটি বয়স বা বিয়ের পর এটাই মনে প্রথম আমাদের একসাথে বেশ কয়েকদিন একসাথে থাকা, উপলক্ষ ছিল করোনা অন্য দিকে আমাদের পরিবারের নতুন পুচকু নাইফ এর জন্য এবং আপুর (নুসরাত) দেখ ভালো করার জন্য, যাই হউক আল্লাহ্‌ তাআলার অশেষ রহমতে সব কিছু খুব সুন্দর ভাবে সম্পর্ন হয়েছে। সবই আসলেই উপর ওয়ালার ইশারা বা ইচ্ছায় হয়, আমরা তো শুধু উচিলা মাত্র।

একজন “মা” ও একজন নারী কত ভাবে জীবনে প্রতি পদক্ষেপে নানান প্রতিকুলতার মাঝে স্বামী, সংসার, কর্পরেট লাইফ এবং শশুর বাড়ি নিয়ে স্ট্রাগল করতে পারে টা আমি দেখেছি প্রথম আমার মায়ের মাধ্যমে, দ্বিতীয় দেখেছি আমার ভাবীর মাধ্যমে, যা থেকে আমি নিজেও অনেক কিছু শিখেছি। শেখার কোন বয়স নাই, আর সব শেখা বই থেকে হয় না, জীবনের বড় বড় শেখা গুলো বাস্তবতা থেকেই হয়। তাই তো নানান সময় নানান বিষয়ে আমি আমার মাকেও বুঝাই, ভাবীকেও বুঝাই এমনকি ভাইকেও বুঝাই ! যত টুকু আমার বিবেক বিবেচনায় সঠিক মনে হয়। পজেটিব চিন্তা ভাবনা থাকালেই যে কোন পরিবারে যত সমস্যাই হউক না কেন, তা সমাধান সম্ভব। যার সম্পর্কে বলছিলাম, যে কোন পরামর্শ, দিক নির্দেশনা বা নতুন কোন সম্ভবনা আমরা আলাপ করি, আবার নিজেদের নানান ভালো মন্দ ও খোঁজ খবর আদান প্রদান করি নিয়মিত, ভালো কোন কাজে হাত দিলেও চেষ্টা করি পরামর্শ করার। সম্পর্ক গুলো ভালো থাকুক, ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল পরিবার ও সকল সম্পর্ক গুলো।

আমার মা মজা করে মাঝে মধ্যেই বলে, তুই খালি তোর ভাবীর পক্ষ নিস। আমি বলি মা, ঠিক ওর মতই আপনিও একদিন আমার বাবার পরিবারে এসেছেন নিজের পরিবার ছেড়ে, ঠিক ঐ মুহুর্ত বা সময় গুলো ভেবে দেখুন, একজন নারীর জন্য মেন্টাল সাপোর্ট পাওয়া কত জরুরী, একটা সময় এই সংসারটাই তার হয়ে যায়, নতুন জীবন এবং নতুন সংসার যুদ্ধ। আর ঠিক কে ঠিক বলা, কারো ভালো কিছু নিয়ে বলা তো দোষের কিছু না। মা বলেন ধন্যবাদ বাবা, আমি বুঝেছি। হ্যাঁ সন্তান হিসাবে, দেবর হিসাবে, একজন ছোট ভাই হিসাবে এটা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এভাবেই প্রায় কেটে গেল ১ যুগ।

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ্‌ আমাদের পরিবারকে সব দিক থেকেই ভালো রেখেছেন, সব কিছুর জন্য শুকরিয়া মহান আল্লাহ্‌র কাছে, আল্লাহ্‌ সবার নেক আশা পূরণ করুক, সবাইকে আরও বেশি বেশি বুঝার তৌফিক দান করুক, আমিন। নামাজে প্রায় সময় আমি এই দোয়াই করি, বড় ভাইয়ের পরিবারকে আল্লাহ্‌ হেফাজতে রাখুক এবং সন্তান গুলো মানুষের মত মানুষ হউক আর সবাইকে নামাজি বানিয়ে দিক, আমিন।


লেখক ও গবেষক – প্রকৌশলী আছিব চৌধুরী

“Love yourself & you will get a way how to live” – Asive Chowdhury

# মেডিসিন থেকে দূরে থাকুন, নিয়মিত শরীর চর্চা করুন এবং সুস্থ্য থাকুন #

আপনার যে কোন মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিতে পারেন। পরবর্তীতে কি বিষয় নিয়ে লেখা চান সেটিও জানাতে পারেন ইমেইলের মাধ্যমে (asive.me@gmail.com)

My Research Publication in International Journal | About Asive Chowdhury Learn with Asive | Facebook | Twitter | LinkedIn | Instagram | Blog Spot YouTube | BudgerigarsWiki

I am a Google Local Guide | Wikipedia | Asive’s Blog

I am in Flicker | I am in Google Maps | I am in wikipedia Commons |I am a Designer | I am in Google Site

Email: asive.me@gmail.com, Web: asive.me