উদ্যোক্তা নাইলা ইসলামের গল্পটা অন্যরকম

উদ্যোক্তা নাইলা ইসলামের গল্পটা অন্যরকমঃ

নাইলা ইসলাম আমাদের ০৬০৮ ব্যাচ এর বন্ধু…ছোট বেলা থেকেই দেশের বাহিরে, মানে সৌদি আরবে জন্ম ও বেড়ে উঠা পড়াশুনা বন্ধু বান্ধব সব কিছুই, প্রসঙ্গত কারনেই দেশের আবহাওয়া বা পরিবেশে নিজেকে পরবর্তীতে খাপ খাইয়ে নিতে একটু না বেপক কষ্টই হয়েছিল নাইলার। যাই হউক পরবর্তীতে দেশে আসা এবং একটি কলেজে ভর্তি হয়ে অনার্স শেষ করা পছন্দের সাবজেক্টে না গিয়ে অন্য সাবজেক্টে। কিন্তু মনের কোনে বা স্বপ্নে ছিল ইন্টেরিওর নিয়ে কিছু একটা করার। যার কারনে শত কিছুর ভিড়েও একটা ইচ্ছাকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নাইলা…

অনেক গুলো কাজের মাঝে ও নিজেকে আবিস্কার করে যে ঘর সাজানো বা ঘুচানো অইর খুবই পছন্দের একটি কাজ, সেই চিন্তা সেই কাজ। শুরু করে দিল নিজের ঘর থেকেই, বাবাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েই দিল, বলল বাবা আমি তোমার ঘরটা সাজিয়ে দেই ! বাবা বলে দে অসুবিধা নাই। একদিন হুট করেই বাবা মা বাহিরে গেল আর সে এই সুযোগে ঘরটা অন্যরকম একটা ইন্টেরিওর লুক দিয়ে দিল হাতের কাছের কিছু জিনিস দিয়েই, মানে আলাদা করে অনেক খরচ করে কিছুই কিনতে হল নাহ। আমি ছবি দেখে খুবই অবাক হলাম, যে এটা আসলেই ক্রিয়েটিভ কাজ। যাই হউক এভাবেই গল্প হল, জানলাম উদ্যোগের কথা আর ইচ্ছা শক্তির কথা…

দেশে এসে বিয়ে হল, বাবুও হল, দায়িত্বও বেড়ে গেল কিন্তু নিজের অদম্য ইচ্ছা যে ওকে আটকিয়ে রাখতে পারেনি, তাই এত কিছুর ভিড়েও ইন্টেরিওর নিয়ে ঘাটাঘাটি শুরু করে দিল, শর্ট কোর্সও করে নিল আর ইন্টারনেট ও টেকনলজির কল্যাণে কাজ এগিয়ে নেওয়া শুরু করল। আর পাশাপাশি কেক বানানো, ছবি তুলে শেয়ার করা, ইন্টেরিওর নিয়ে কাজ করা, হাতের কাজ করা সহ সব মিলিয়ে বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে নিজের কাজ গুলো উপস্থাপন শুরু করল, একে একে অনেকেই সাড়া দিল, অর্ডার আসলো কেকে ও হেন্ডিক্রাফট আইটেমের, কাজ শুরু করে দিল আর কাস্টমার ডিমান্ড অনুযায়ী পণ্য ডিজাইন ও সরবরাহ শুরু করে দিল, একে একে কাস্টমার বেড়েই চলল আর কাজের স্বীকৃতি সরূপ মিলল কাস্টমারদের মূল্যবান সব মতামত ও প্রশংসা।

প্রবাস জীবনের পর বাংলাদেশে প্রথমেই যে ধাক্কা ওকে সামলাতে হয়েছে সেটা খুবই কস্টকর, তবুও নাইলা হাল ছেড়ে দেওয়ার জন্য তৈরি নাহ। কাজ করে যাচ্ছে, নিত্য নতুন পণ্য ডিজাইন ও সরবরাহ করেই যাচ্ছে। নিজের কাজের জানান দিচ্ছে অন্যকে। যাই হউক
পথে নেমে গেছে, যত বাধাই আসুক পথ চিনে যাবে এটাই আমি বিশ্বাস করি। নাইলার কাজ অনুপ্রেরণা মূলক, কমেন্টে ওর উদ্যোগের ফেইসবুক পেইজের লিংক দেওয়া হয়েছে…

আর হ্যাঁ চমৎকার একটা স্টার্টআপ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে নাইমা, পথে নামলেই পথ চেনা যায় (মুনির হাসান স্যার এর মতে) এই ধরনের চিন্তা বা পরিকল্পনা যখন অনেকেই বসে বসে আমরা ভাবছি কি করা যায়, কিভাবে করা যায় তখন নাইলা মাঠে নেমে পড়েছে। হ্যাঁ ওর স্টার্টআপের নাম “NICDOS Interior”। যে বা যারা ওর কাজ গুলো দেখতে বা কিনতে আগ্রহী ১ম কমেন্টে দেওয়া লিংকে ঘুরে আসিস…। চমৎকার এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই আমাদের ০৬০৮ পরিবারের পক্ষ থেকে একই সাথে আমরা বিশ্বাস করি এমন সব উদ্যোগ আর গল্প গুলো আমাদের অনেক কিছু শিখাবে এবং উদ্যোগ নিতে সাহায্য করবে।

নাইমার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা একই সাথে আমরা চাই, নিজের উদ্যোগের পাশাপাশি অন্যদের অনুপ্রেরনা দেওয়ার কাজটি করে যাবি আর একে অন্যকে উৎসাহ দিবি…উদ্যোক্তা জীবনের গল্প ধারাবাহিক ভাবে চলবে…নিজের গল্পটি চট করে শেয়ার করে ফেলিস যা অন্যকে উৎসাহ দিবে বলে আমার বিশ্বাস…

লেখক ও গবেষক – প্রকৌশলী আছিব চৌধুরী

“Love yourself & you will get a way how to live” – Asive Chowdhury

# মেডিসিন থেকে দূরে থাকুন, নিয়মিত শরীর চর্চা করুন এবং সুস্থ্য থাকুন #

আপনার যে কোন মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দিতে পারেন। পরবর্তীতে কি বিষয় নিয়ে লেখা চান সেটিও জানাতে পারেন ইমেইলের মাধ্যমে (asive.me@gmail.com)

My Research Publication in International Journal | About Asive Chowdhury Learn with Asive | Facebook | Twitter | LinkedIn | Instagram | Blog Spot YouTube | BudgerigarsWiki

I am a Google Local Guide | Wikipedia | Asive’s Blog

I am in Flicker | I am in Google Maps | I am in wikipedia Commons |I am a Designer | I am in Google Site

Email: asive.me@gmail.com, Web: asive.me